আজব বিশ্বের যতসব অবাক করার মতো ঘটনা প্রতিনিয়ত আমাদের সামনে আসে,কিছু কিছু ঘটনা একেবারেই বিষ্ময়কর হলেও একেবারেই সত্য,আসলে দুনিয়াতে অকল্পনীয় বলে কিছু নেই। আমরা যেটা সব সময় চাই সেটা অধিকাংশ সময় পাই না বলেই আমাদের কাছে সব কিছুই অবিশ্বাস্য মনে হয়।
তবে বিধির নিয়ম কে আমরা কেউ অগ্রাহ্য করতে পারিনা, কথায় আছে না ভাগ্যের লেখা বুলেট দিয়েও খন্ডানো যাই না। এখন আপনাদের সামনে যে ঘটনাটি উপস্থাপন করবো সেটাই একেবারেই ব্যাতিক্রমধর্মী। ব্রাজিলে একপ্রকার উপজাতীয় সম্প্রদায়ের সন্ধান মিলেছে,এই উপজাতীয় সম্প্রদায় সম্পুর্ণ আলাদা অন্য সম্প্রদায়ের মানুষের তুলনায়। সম্প্রতি এবিপি নিউজ একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেছে এই উপজাতীয়দের নিয়ে, এই উপজাতীয় সম্প্রদায়ের নাম খোবার।
সবাই এরা বোদ্ধ ধর্মের অনুসারী, এই খোবার সম্প্রদায়ের যুবতী মেয়েদের ভিতরে একটি রীতি প্রচলিত আছে যেটা নিতান্তই হাস্যকর তবে এই খোবার সম্প্রদায়ের লোকজন মনে করেন এটা ইশ্বর প্রদত্ত এবং এই নিয়ম অগ্রাহ্য করা মহাপাপ। এই সম্প্রদায়ের তরুণীদের বয়স ষোল থেকে বিশ হলে এক কঠিন পরিক্ষায় অবতীর্ণ হতে হয়, ষোল থেকে বিশ বছর বয়সী তরুনীদের নিজেদের যৌন চাহিদা বাড়ানোর জন্য সমুদ্রের পাশে তপ্ত বালুতে একদিন গলা পর্যন্ত পুতে রাখা হয়। এই সম্প্রদায়ের লোকজনের বিশ্বাস যে সব মেয়ে এই কঠিন পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে তাদের যৌন চাহিদা দীর্ঘয়িত এবং স্বামী পূজনীয় হবে।
এই কঠিন সাধনায় অনেক মেয়েই সফল হয়না, যারা এই সাধনায় উত্তীর্ণ হয় তাদেরকে এক সপ্তাহের ভিতরে বিয়ে দেওয়ার রীতি প্রচলিত আছে খোবার সম্প্রদায়ের ভিতরে অন্যথায় জীবনে আর বিয়ে হবে না। এই সম্প্রদায়ের লোকজনের বিশ্বাস ভাগ্যের বিধান এটা,এই নিয়ম এভাবেই চলতে থাকবে। তবে এই কুসংস্কার নিয়ে ইতোমধ্যে ফুঁসে উঠেছেন বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা,তবে কোনভাবেই এই সম্প্রদায়ের তরুণীরা নিয়ম লংঘন করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
গত শনিবার কিছু মানবাধিকার কর্মী সেইখানে গিয়েছিল,যাবার পরে সেখানে দেখে বালুর নিচে গলা পর্যন্ত বসানো আছে এক জীবন্ত তরুণী। মানবাধিকার কর্মীরা সেই মেয়েকে উঠে আসতে বললো কিন্তু আসলো না, পরবর্তীতে বিভিন্ন যুক্তিখন্ডন করে সেই তরুণী কে উপরে নিয়ে আসা হলো।






0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন