শচীন
টেন্ডুলকার,
শোয়েব
আখতার সহ
আরো
নেক
ক্রিকেটারই
আছেন যাদের আত্মজীবনী নিয়ে লেখা বইয়ের কোন
না কোন অংশ রীতিমত হুলস্থুল বাঁধিয়ে দিয়েছিলো ক্রিকেট
দুনিয়ায়। ‘মাশরাফি’ বইটি মাশরাফি বিন মোর্তুজার আত্মজীবনী না
হলেও মাশরাফিকে নিয়েই লেখা। সোমবার প্রকাশিত হওয়া এ
বইয়ে সাক্ষাতকার অংশে একটি প্রশ্নোত্তরে ফিক্সিং ও
ফিক্সারদের ওপর মনের ক্ষোভ প্রকাশ করেন মাশরাফি।
ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হওয়া বাংলাদেশের ক্রিকেটার, মাশরাফির
সাবেক সতীর্থ আশরাফুলকে নিয়ে করা একটি প্রশ্নের
জবাবে মাশরাফি তার মনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
প্রশ্নের জবাবে ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যাওয়া
বিষয়টিকে কোনভাবে মানতে পারেন না বলে জানান মাশরাফি।
সাক্ষাৎকারে প্রশ্নটি ছিল আশরাফুল কি
দেশদ্রোহী?
প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেন,…
”তা বলা যেতে পারে। ঠিক দেশের সঙ্গে প্রতারণা না করা
হলেও মানুষের সঙ্গে প্রতারণা তো। কোটি কোটি
মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। সে অর্থে একটু
বড় করে আপনি দেশদ্রোহী ভাবতেও পারেন।”
মাশরাফি আরও বলেন, “তবে এগুলো অনেক বেশি ভেবে
নেওয়া ব্যাপার।
আসলে দেশদ্রোহ কোনটা? আপনি
রাষ্ট্রের একটি গোপন তথ্য পাচার করে দিলেন, রাষ্ট্রের
অর্থ নিয়ে ছিনিমিনি খেললেন, রাষ্ট্রকে সংকটে ফেলে
দিলেন। এসব হলো দেশদ্রোহ। এটা ছেলেখেলা নয়।”
এছাড়া ক্রিকেটের মধ্যে দেশপ্রেম খুঁজতে না করেন তিনি।
মাশরাফি বলেন, “আমি বলি, এই যারা ক্রিকেটে দেশপ্রেম
দেশপ্রেম বলে চিৎকার করে এরা সবাই যদি একদিন রাস্তায়
কলার খোসা ফেলা বন্ধ করত, একটা দিন রাস্তায় থুতু না ফেলত বা
একটা দিন ট্রাফিক আইন মানত; দেশ বদলে যেত। এই প্রবল
এনার্জি ক্রিকেটের পেছনে ব্য্য না করে নিজের কাজটা যদি
সততার সঙ্গে একটা দিনও সবাই মানে, সেটাই হয় দেশপ্রেম
দেখানো। আমি তো এই মানুষদের দেশপ্রেমের
সংজ্ঞাটাই বুঝি না।”
৪৬৯ পৃষ্ঠার এ বইটি লিখেছেন প্রখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক
দেবব্রত মুখোপাধ্যায়। বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা।
রাষ্ট্রের একটি গোপন তথ্য পাচার করে দিলেন, রাষ্ট্রের
অর্থ নিয়ে ছিনিমিনি খেললেন, রাষ্ট্রকে সংকটে ফেলে
দিলেন। এসব হলো দেশদ্রোহ। এটা ছেলেখেলা নয়।”
এছাড়া ক্রিকেটের মধ্যে দেশপ্রেম খুঁজতে না করেন তিনি।
মাশরাফি বলেন, “আমি বলি, এই যারা ক্রিকেটে দেশপ্রেম
দেশপ্রেম বলে চিৎকার করে এরা সবাই যদি একদিন রাস্তায়
কলার খোসা ফেলা বন্ধ করত, একটা দিন রাস্তায় থুতু না ফেলত বা
একটা দিন ট্রাফিক আইন মানত; দেশ বদলে যেত। এই প্রবল
এনার্জি ক্রিকেটের পেছনে ব্য্য না করে নিজের কাজটা যদি
সততার সঙ্গে একটা দিনও সবাই মানে, সেটাই হয় দেশপ্রেম
দেখানো। আমি তো এই মানুষদের দেশপ্রেমের
সংজ্ঞাটাই বুঝি না।”
৪৬৯ পৃষ্ঠার এ বইটি লিখেছেন প্রখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক
দেবব্রত মুখোপাধ্যায়। বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা।
( ‘মাশরাফি’ বইয়ের সেই অংশ )
মাশরাফিকে নিয়ে লেখা
এই বইটিতে মাশরাফি
সম্পর্কে না জানা
অনেক কথাই উঠে
এসেছে খোদ
মাশরাফির বচন থেকে।
তবে সমগ্র টাইগার
সমর্থকরা, মাশরাফি
সমর্থকরা তাদের
প্রত্যাশানুযায়ী ‘না জানা
কথা’, ‘ প্রশ্নের জবাব’
এই বই থেকে পাবেন
বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন লেখক। তবে আশরাফুল ভক্তরা
মাশরাফির এই উক্তিকে কিভাবে নেবেন, এটিই এখন দেখবার
বিষয়।






0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন